ঢাকা,
|
Agri Sangbad
  • মূলপাতা
  • কৃষি সংবাদ
  • বাজার ও মূল্য
  • কৃষি পরামর্শ
  • জলবায়ু ও পরিবেশ
  • পশুপালন ও মৎস্য
  • নগরায়ন
  • পর্যটন
  • অন্যান্য
    • লিড নিউজ
    • ফোকাস
    • হাইলাইটস
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • মুক্ত আলোচনা
    • সাক্ষাৎকার
    • সমৃদ্ধি
    • প্রবাস
    • কৃষি প্রযুক্তি
    • প্রেস বিজ্ঞপ্তি
    • কৃষি উদ্যোক্তা
No Result
View All Result
Agri Sangbad
  • মূলপাতা
  • কৃষি সংবাদ
  • বাজার ও মূল্য
  • কৃষি পরামর্শ
  • জলবায়ু ও পরিবেশ
  • পশুপালন ও মৎস্য
  • নগরায়ন
  • পর্যটন
  • অন্যান্য
    • লিড নিউজ
    • ফোকাস
    • হাইলাইটস
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • মুক্ত আলোচনা
    • সাক্ষাৎকার
    • সমৃদ্ধি
    • প্রবাস
    • কৃষি প্রযুক্তি
    • প্রেস বিজ্ঞপ্তি
    • কৃষি উদ্যোক্তা
No Result
View All Result
Agri Sangbad
No Result
View All Result
Home কৃষি সংবাদ

বর্ষার মাঝেই খরার ‘বিস্তার’

বৃষ্টির ছন্দ ভেঙে বাড়ছে খরা ও আকস্মিক বন্যা, ক্ষতির মুখে কৃষক। ভবিষ্যতে চরম আবহাওয়ার ঘটনা আরও ঘন ঘন ঘটতে পারে, এজন্য কৃষি, নগর পরিকল্পনা ও পানি ব্যবস্থাপনাযর নতুন বাস্তবতাকে বিবেচনায় নিতে হবে

Md Shafiul Al Imran SACCJFbyশাফিউল আল ইমরান
জুলাই ৩০, ২০২৬
in কৃষি সংবাদ, জলবায়ু ও পরিবেশ, লিড নিউজ
A A
ফেসবুকহোয়াটসঅ্যাপ

একসময় আষাঢ়-শ্রাবণ মানেই ছিল টানা বৃষ্টি। দিনের পর দিন আকাশ মেঘলা থাকত, মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিতে ভরে উঠত খাল-বিল, নদী-নালা। সেই পরিচিত বর্ষার চিত্র এখন দ্রুত বদলে যাচ্ছে। এখন সপ্তাহের পর সপ্তাহ বৃষ্টি নেই, আবার একদিনেই নেমে আসছে কয়েক মাসের সমপরিমাণ বৃষ্টি। এই পরিবর্তনের প্রভাব পড়ছে কৃষি, জনজীবন, অবকাঠামো এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে।

আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, জুন মাসে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের তুলনায় ২৯ দশমিক ৪ শতাংশ কম বৃষ্টিপাত হয়েছে। আবার জুলাইয়ে স্বাভাবিকের তুলনায় ২০ থেকে ২৫ শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। আবহাওয়াবিদ ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের মোট বার্ষিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণে বড় পরিবর্তন না এলেও বৃষ্টির সময় ও বণ্টনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটছে। অর্থাৎ, আগে যে বৃষ্টি কয়েক সপ্তাহ ধরে হতো, এখন তা অল্প সময়ে কেন্দ্রীভূত হচ্ছে। ফলে একই সঙ্গে দেখা দিচ্ছে খরা, জলাবদ্ধতা ও আকস্মিক বন্যা।

দশ বছরে বদলেছে বর্ষার ধরণ:
গত এক দশকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বর্ষার চরিত্রে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন লক্ষ করা গেছে। বিশেষ করে ২০১৭, ২০২০, ২০২২ এবং ২০২৪ সালে স্বল্প সময়ে অতিভারী বৃষ্টির ঘটনা ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসে। আবার ২০১৯, ২০২৩ ও ২০২৫ সালে বর্ষার শুরুতে দীর্ঘ সময় বৃষ্টির ঘাটতি কৃষকদের উদ্বেগে ফেলে। আবহাওয়া বিশ্লেষকদের মতে, এখন এক দিনে ১৫০ থেকে ৩০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের ঘটনা আগের তুলনায় বেশি ঘটছে। অন্যদিকে বর্ষার মধ্যেও টানা ১০ থেকে ১৫ দিন বৃষ্টি না হওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। এতে কৃষিজমিতে আর্দ্রতার ঘাটতি তৈরি হচ্ছে এবং ফসলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে।

পানি সম্পদ ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞ ড. আইনুন নিশাত মনে করেন, ‘বর্ষার চরিত্র বদলে যাওয়ায় শুধু কৃষিই নয়, দেশের পানি ব্যবস্থাপনাও নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। অল্প সময়ে অতিবৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করা যাচ্ছে না, আবার শুষ্ক সময়ে সেই পানির অভাব দেখা দিচ্ছে। নদী, খাল ও জলাধারের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি জলবায়ু-সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ এবং আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করা জরুরি।’

জলবায়ু বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, বাংলাদেশে মোট বৃষ্টিপাতের পরিমাণের চেয়ে এখন বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বৃষ্টির বণ্টন। আগে বর্ষার বৃষ্টি দীর্ঘ সময় ধরে হতো, এখন অল্প সময়ে অতিভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এর ফলে একই মৌসুমে একদিকে খরা, অন্যদিকে আকস্মিক বন্যা দেখা দিচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে চরম আবহাওয়ার ঘটনা আরও ঘন ঘন ঘটবে বলে আমরা আশঙ্কা করছি। তাই কৃষি, নগর পরিকল্পনা ও পানি ব্যবস্থাপনায় নতুন বাস্তবতাকে বিবেচনায় নিতে হবে।

বর্ষার মাঝেই খরার ‘বিস্তার’:
দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বর্ষাকালেও খরার প্রকোপ এখন নতুন বাস্তবতা। রাজশাহী, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, দিনাজপুর ও রংপুর অঞ্চলের অনেক কৃষক জানান, সময়মতো বৃষ্টি না হওয়ায় আমন ধানের চারা রোপণে বিলম্ব হচ্ছে। বাধ্য হয়ে গভীর নলকূপ বা সেচের পানি ব্যবহার করতে হচ্ছে। কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে। একই সঙ্গে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপও বৃদ্ধি পাচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদে এটি পরিবেশ ও কৃষিÍউভয়ের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ।

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের এক কৃষক বলেন,‘বর্ষার মাঝেও এখন খরার মতো অবস্থা তৈরি হয়। সময়মতো বৃষ্টি না হওয়ায় সেচের জন্য অতিরিক্ত টাকা খরচ করতে হচ্ছে। পরে হঠাৎ ভারী বৃষ্টিতে সেই জমিই তলিয়ে যায়। এক মৌসুমে দুই ধরনের দুর্যোগের ক্ষতি সামলানো আমাদের পক্ষে খুব কঠিন হয়ে পড়েছে।’

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের সাবেক নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. আব্দুস সাত্তার মণ্ডল বলেন, ‘বর্ষার মাঝেও দীর্ঘ সময় বৃষ্টি না হওয়া এখন কৃষির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে আমন ধানের চারা রোপণ ও কুশি গজানোর সময় পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হলে ফলন কমে যায়। পরে হঠাৎ অতিবৃষ্টিতে জমি তলিয়ে গেলে সেই ক্ষতি আরও বেড়ে যায়।’ ‘জলবায়ুর এই পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে খরা ও জলাবদ্ধতাÍদুই পরিস্থিতিই সহ্য করতে পারে এমন জাত এবং উন্নত পানি ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দিতে হবে, বলে মনে করেন।

আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি বাড়ছে:
ভারী বর্ষণের আরেকটি বড় প্রভাব হচ্ছে আকস্মিক বন্যা। বিশেষ করে উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও পাহাড়ঘেঁষা এলাকায় কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতেই নদ-নদীর পানি দ্রুত বেড়ে যায়। ফলে সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, কুড়িগ্রাম ও জামালপুরসহ বিভিন্ন জেলা প্রায় প্রতিবছরই বন্যার ঝুঁকিতে পড়ছে। একারণে শুধু জনপদ প্লাবিত হয় না, বরং কৃষি, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও অর্থনীতিতে বহুমাত্রিক সংকট তৈরি হয়। স্বল্প সময়ে অতিভারী বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলে নদীর পানি দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় ফসলি জমি, বসতবাড়ি, সড়ক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নিরাপদ পানির সংকট, পানিবাহিত রোগের বিস্তার, গবাদিপশুর ক্ষয়ক্ষতি এবং নদীভাঙনের ঝুঁকিও বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ভবিষ্যতে এ ধরনের আকস্মিক বন্যার ঘটনা আরও ঘন ঘন ঘটতে পারে, তাই আগাম সতর্কীকরণ ও দুর্যোগ-সহনশীল অবকাঠামো গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি। অন্যদিকে, শহরাঞ্চলে কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতেই সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা। রাজধানী ঢাকাসহ বড় শহরগুলোতে সড়ক তলিয়ে যাওয়া, যানজট, ব্যবসায়িক ক্ষতি এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি এখন প্রায় নিয়মিত ঘটনা।

কৃষিতে অনিশ্চয়তা:
পরিবর্তিত বর্ষার সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ছে কৃষিতে। দীর্ঘ সময় বৃষ্টি না হলে ধানের জমিতে ফাটল দেখা দেয়। আবার হঠাৎ অতিবৃষ্টিতে সদ্য রোপণ করা চারা ডুবে যায়। অনেক ক্ষেত্রে পানি কয়েক দিন স্থায়ী থাকায় ফসল পচে নষ্ট হয়। সবজি, মরিচ, পাট, আদা, হলুদ এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলও অতিরিক্ত পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কৃষকেরা বলছেন, একটি মৌসুমে ফসল নষ্ট হলে ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পরবর্তী কয়েক বছর লেগে যায়। কৃষি অর্থনীতিবিদদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে না পারলে দেশের খাদ্য উৎপাদনেও চাপ তৈরি হতে পারে। বর্ষার অনিয়মিত আচরণ দেশের কৃষি অর্থনীতিতে বহুমুখী প্রভাব ফেলছে। দীর্ঘ সময় বৃষ্টি না হওয়ায় সেচের খরচ বেড়ে যাচ্ছে, আবার হঠাৎ অতিবৃষ্টিতে ফসল নষ্ট হওয়ায় কৃষকের উৎপাদন ব্যয়ও বাড়ছে। ফলে একদিকে কৃষকের লাভ কমছে, অন্যদিকে বাজারে কৃষিপণ্যের সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব:
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে বায়ুমণ্ডলে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়েছে। এর ফলে বৃষ্টি কম সময়ে বেশি পরিমাণে হচ্ছে। একই সঙ্গে তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে বৃষ্টির মধ্যবর্তী সময়ে মাটি দ্রুত শুকিয়ে যাচ্ছে। জলবায়ু বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলছেন, ভবিষ্যতে চরম আবহাওয়ার ঘটনা আরও ঘন ঘন ঘটতে পারে। তাই এখন থেকেই অভিযোজনমূলক ব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় আবহাওয়ার পূর্বাভাস আরও নির্ভুল করা, নদী ও খালের পানি ধারণক্ষমতা বাড়ানো, জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং জলবায়ু-সহনশীল ফসলের জাত সম্প্রসারণে গুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি কৃষকদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ, ফসল বীমা এবং দ্রুত ক্ষতিপূরণ ব্যবস্থাও প্রয়োজন।

বাংলাদেশে বর্ষা এখনও জীবনের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। কিন্তু সেই বর্ষার স্বাভাবিক ছন্দ ভেঙে যাচ্ছে। কখনও দীর্ঘ খরা, কখনও অল্প সময়ে অতিভারী বৃষ্টিÍএই দুই চরম অবস্থার মধ্যে পড়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হচ্ছেন কৃষক ও নিম্নআয়ের মানুষ। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতায় বৈজ্ঞানিক পরিকল্পনা, উন্নত পানি ব্যবস্থাপনা এবং দীর্ঘমেয়াদি অভিযোজন কৌশল গ্রহণই হতে পারে ক্ষয়ক্ষতি কমানোর সবচেয়ে কার্যকর পথ।

Tags: আকস্মিক বন্যাকৃষকখরাবৃষ্টি

এই ক্যাটাগরির অন্য সংবাদ

জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় পিছিয়ে পড়ল বাংলাদেশ

জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় পিছিয়ে পড়ল বাংলাদেশ

নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও সুরক্ষায় নতুন প্রকল্প

নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও সুরক্ষায় নতুন প্রকল্প

চরের বালুচরে ‘সবুজ বিপ্লব’: প্রযুক্তিতে বদলে যাচ্ছে দুই কোটি মানুষের ভাগ্য

জলবায়ু পরিবর্তন: বাড়বে তাপপ্রবাহ-খরা-বন্যা ও খাদ্যসংকটের ঝুঁকি

কেন্দুয়ায় ভাইয়ের বিরুদ্ধে জমির ধানের চারা নষ্ট করার অভিযোগ

১৫ দিনের মধ্যে বুড়িগঙ্গার তীর থেকে প্লাস্টিক বর্জ্য সরানোর নির্দেশ

খরা মোকাবিলায় ন্যায্য পানি বণ্টনের আহ্বান পরিবেশমন্ত্রীর

সার বিষয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়কে সহায়তায় ৩ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি

প্রায় ২৭’শ কোটি টাকায় সাড়ে তিন লাখ টন সার কিনছে সরকার

ঢাকায় অতিতপ্ত অঞ্চল বেড়েছে তিন গুণ

সর্বশেষ সংবাদ

জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় পিছিয়ে পড়ল বাংলাদেশ

জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় পিছিয়ে পড়ল বাংলাদেশ

বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কৃষক ও মৎস্যজীবী নেবে ওমান

বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কৃষক ও মৎস্যজীবী নেবে ওমান

নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও সুরক্ষায় নতুন প্রকল্প

নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও সুরক্ষায় নতুন প্রকল্প

চরের বালুচরে ‘সবুজ বিপ্লব’: প্রযুক্তিতে বদলে যাচ্ছে দুই কোটি মানুষের ভাগ্য

চরের বালুচরে ‘সবুজ বিপ্লব’: প্রযুক্তিতে বদলে যাচ্ছে দুই কোটি মানুষের ভাগ্য

ইমক্যাবের নতুন সভাপতি শাহীন চৌধুরী, সম্পাদক মাছুম বিল্লাহ

ইমক্যাবের নতুন সভাপতি শাহীন চৌধুরী, সম্পাদক মাছুম বিল্লাহ

জলবায়ু পরিবর্তন: বাড়বে তাপপ্রবাহ-খরা-বন্যা ও খাদ্যসংকটের ঝুঁকি

জলবায়ু পরিবর্তন: বাড়বে তাপপ্রবাহ-খরা-বন্যা ও খাদ্যসংকটের ঝুঁকি

Load More
Facebook Youtube Linkedin X-twitter
  • Home
  • About
  • Advertisement
  • Bangla Converter
  • Career
  • Privacy Policy
  • Contact
  • Home
  • About
  • Advertisement
  • Bangla Converter
  • Career
  • Privacy Policy
  • Contact

Copyright © 2026 Agri Sangbad, All rights reserved | Development & Maintenance By: </> Hur Agency

No Result
View All Result
  • মূলপাতা
  • কৃষি সংবাদ
  • বাজার ও মূল্য
  • কৃষি পরামর্শ
  • জলবায়ু ও পরিবেশ
  • পশুপালন ও মৎস্য
  • নগরায়ন
  • পর্যটন
  • অন্যান্য
    • লিড নিউজ
    • ফোকাস
    • হাইলাইটস
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • মুক্ত আলোচনা
    • সাক্ষাৎকার
    • সমৃদ্ধি
    • প্রবাস
    • কৃষি প্রযুক্তি
    • প্রেস বিজ্ঞপ্তি
    • কৃষি উদ্যোক্তা

Press Release: agrisangbad@gmail.com