ঢাকা, রাত ৩:১০
সোমবার | ২২শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বর্ষাকাল
৭ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি
Agri Sangbad
  • মূলপাতা
  • কৃষি সংবাদ
  • বাজার ও মূল্য
  • কৃষি পরামর্শ
  • জলবায়ু ও পরিবেশ
  • পশুপালন ও মৎস্য
  • নগরায়ন
  • পর্যটন
  • অন্যান্য
    • লিড নিউজ
    • ফোকাস
    • হাইলাইটস
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • মুক্ত আলোচনা
    • সাক্ষাৎকার
    • সমৃদ্ধি
    • প্রবাস
    • কৃষি প্রযুক্তি
    • প্রেস বিজ্ঞপ্তি
    • কৃষি উদ্যোক্তা
No Result
View All Result
Agri Sangbad
  • মূলপাতা
  • কৃষি সংবাদ
  • বাজার ও মূল্য
  • কৃষি পরামর্শ
  • জলবায়ু ও পরিবেশ
  • পশুপালন ও মৎস্য
  • নগরায়ন
  • পর্যটন
  • অন্যান্য
    • লিড নিউজ
    • ফোকাস
    • হাইলাইটস
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • মুক্ত আলোচনা
    • সাক্ষাৎকার
    • সমৃদ্ধি
    • প্রবাস
    • কৃষি প্রযুক্তি
    • প্রেস বিজ্ঞপ্তি
    • কৃষি উদ্যোক্তা
No Result
View All Result
Agri Sangbad
No Result
View All Result
Home কৃষি পরামর্শ

বহু কাজের উদ্ভিদ তুঁত বা ব্লাকবেরি

Agri Sangbad Site Iconbyএগ্রি সংবাদ করেসপন্ডেন্ট
জুলাই ৩১, ২০২৫
in কৃষি পরামর্শ
A A
ফেসবুকহোয়াটসঅ্যাপ
বহু কাজের উদ্ভিদ তুঁত বা ব্লাকবেরি
বহু কাজের উদ্ভিদ তুঁত বা ব্লাকবেরি

তুঁত গাছের পাতা প্রাথমিক ভাবে রেশম পোকাকে খাওয়ানোর জন্য ব্যবহার করা হত। এটির ঔষধি গুনাগুন সম্পর্কে বলে শেষ করা যাবেনা। তুঁত গাছের বোটানিকাল নাম Morus alba হিসাবে পরিচিত। বৈজ্ঞানিক নাম: Morusnigra/Morus rubra. Moras indika. তুঁতের কয়েকটা প্রধান ঔষধি ব্যবহার হল – রক্তের টোনিক তৈরি, মাথা ঘোরা, কোষ্ঠকাঠিন্য, টিনিটাস, মূত্রথলিজনিত সমস্যার সমাধান ইত্যাদিতে ব্যবহার হয়।

এর আদিবাস চীনে। ভারত, বাংলাদেশ, এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন স্থানে তুঁতফলের চাষ হয়ে থাকে। মুলত বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে তুঁতের চাষ হয়, বিশেষ করে রাজশাহীতে বেশি চাষ হয় কারন সেখানে বাংলাদেশ রেশম চাষ উন্নয়ন বোর্ড অবস্থিত। এছাড়াও উল্লেখযোগ্য অঞ্চল হল নাটোর। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের মাটিতে হওয়া তুঁতফল বেশি সুস্বাদু।

তুঁত ফলের জুস, জ্যাম জেলি হয়। তুঁত ফলের জুস খুবই সুস্বাদু । জুসটি কোরিয়া, জাপান ও চায়নায় অত্যন্ত জনপ্রিয়। এটি একটি বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ, যার গড় উচ্চতা ৪০-৬০ ফুট হয়। এর ফুলগুলি খুব নিখুঁতভাবে সাজানো। যা পরবর্তীতে বেগুনি কালো রঙের ফল দেয়। তুঁত ফল দেখতে অসম্ভব সুন্দর। বসন্তের শুরুতে গাছে নতুন পাতা আসে। যে কোন ছোট টব বা পাত্র এমন কি পলিব্যাগে লাগালেও গাছ সুন্দর বেড়ে উঠে, যেন শুধু ফল দেয়ার জন্যই তার জন্ম। সারা বছরই ফল দেয়। অল্প দিনের মধ্যেই ফল পাকে। পাকা ফল রসালো এবং টক-মিষ্টি ।

তুঁত গাছের কাণ্ড থেকে উৎপন্ন মঞ্জরী দণ্ডের ছোট ছোট ফুলগুলি ঘন হয়ে ফুটে থাকে। পুরুষ ও স্ত্রী ফুল আলাদা। এক সময় গ্রামে প্রচুর তুঁত গাছ দেখা যেতো। তুঁত গাছের পাতা রেশম পোকার মথকে খাওয়ানো হয়, যার লালা থেকে রেশম তৈরি হয়। রেশম পোকার তৈরি বাসা বা গুটি নানাভাবে প্রক্রিয়া শেষে তা থেকে তৈরি হয় রেশমি সুতা। এই সুতায় তৈরি হয় সিল্ক বা রেশমি কাপড়। বাংলাদেশে তুঁত কখনও ফলের জন্য চাষ করা হয় না।

রাজশাহী, নাটোর, রংপুর, পাবনা, বগুড়া, ঠাকুরগাঁও, ময়মনসিংহ, দিনাজপুর, সিলেটে রেশম পোকার খাদ্যের জন্যই তুঁত গাছের চাষ হয়ে থাকে। তুঁত গাছের পাতা ডিম্বাকার, চমৎকার খাঁজযুক্ত এবং অগ্রভাগ সুঁচালো। ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে ফুল আসে এবং মার্চ-এপ্রিলেই ফল পাকে। তুঁত ফল প্রথম অবস্থায় সবুজ, পরে লাল এবং সম্পূর্ণ পাকলে কালো রং ধারণ করে।

এই তুঁত বা মালবেরিকে ‘ব্ল্যাক বেরি’ বলে চড়া দামে চারা বিক্রি করা হয়। এখন অনেক বাসার ছাদেও শোভা পাচ্ছে তুঁত গাছ। শালিক, টিয়া, বুলবুলি, টুনটুনি ও অনেক পাখিরই খুব প্রিয় ফল তুঁত।

তুঁত ফলের ঔষধি গুন
এই ফলের বেশ কিছু ঔষধি গুণও রয়েছে। যেমন- পাকা ফলের রস বায়ু, পিত্ত, কফ ও জ্বরনাশক। তুঁত গাছের ছাল ও শেকড়ের রস কৃমিনাশক। এছাড়া কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার জন্য পাকা তুঁতফল বেশ উপকারী। অবশ্য বেশি খেলে ডায়রিয়া হতে পারে।

ক্যানসার প্রতিরোধী ফল তুঁত। এই ফল এবং গাছের পাতা ও শেকড়ের স্যাকারাইড মানবদেহে রক্তে শর্করা কমিয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় আনতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। আমাদের দেশে তুঁতের নতুন যে জাত আনা হয়েছে তাতে ছোট অবস্থাতেই ফল ধরে এবং সারাবছর ফলন হয়।

তুঁত গাছের ব্যবহার ও বৈশিষ্ট্য
তুঁত গাছের বাকল দিয়ে প্রাচীনকালে কাগজ তৈরি হতো। পাতা, ফল ও কাঠের বিবেচনায় তিনটি ভ্যারাইটি আছে তুঁতের। রেশম পোকার খাদ্য হিসেবে পাতার জন্য যে গাছের চাষ হয় তার কাণ্ড খুবই নরম। বাংলাদেশের আবহাওয়া অনুযায়ী আশ্বিন-কার্তিক মাস তুঁত গাছ লাগানোর উপযুক্ত সময়। প্রধানত জুলাই – আগস্ট মাসে তুঁত রোপণ করা হয়। গাছ লাগানোর জন্য নার্সারিকে জুন মাসে – জুলাই মাসে ভালভাবে প্রস্তুত করতে হয়।

বিভিন্ন প্রকার মাটিতে তুঁত গাছ জন্মাতে পারে। দো-আঁশ ও বেলে দো-আঁশ মাটিতে তুঁত গাছ খুব ভালো জন্মে। এছাড়া উঁচু ও সমতল জমিতেও তুঁত চাষ ভালো হয়। উদ্ভিদের ভাল বিকাশের জন্য মাটির ৬.২-৬.৮ থেকে পিএইচ প্রয়োজন। আবহাওয়া ও উর্বর মাটির জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় সবচেয়ে বেশি তুঁত চাষ হয়।

তুঁত রোপণের জন্য, ভালভাবে মাটি প্রস্তুত করা প্রয়োজন। প্রথমে জমি থেকে আগাছা ও পাথর সরিয়ে ফেলতে হবে এবং মাটিকে ভাল স্তরে আনতে গভীরভাবে লাঙ্গল দিয়ে চাষ করা উচিত।

যখন গাছের ফলগুলো গাড় লাল থেকে বেগুনি লাল হবে তখন তুঁত গাছের ফসল তুলতে হবে। সকালবেলা ফসল তোলার উপযুক্ত সময়। ফসল তোলা মূলত হাতের মাধ্যমে বা কাঁপানো পদ্ধতিতে করা হয়। কাঁপানো পদ্ধতিতে গাছের নীচে সুতি বা প্লাস্টিকের শীট রেখে গাছটি কাঁপানো হয়। প্রায় সমস্ত পাকা তুঁতিতে তুলা বা প্লাস্টিকের শীটে ঝরে পড়ে যাবে। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াজাতকরণ জন্য পাকা ফল ব্যবহার করা হয়।

রেশম শিল্পে তুঁত গাছ
বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় সাদা তুঁত, কালো তুঁত ও লাল তুঁত- এই তিন প্রজাতির গাছের ওপর নির্ভর করে রেশম পোকার চাষ করা হয়। সাদা তুঁত গাছই রেশম পোকার সবচেয়ে পছন্দের। তুঁত গাছ একবার লাগালে ২০-২৫ বছর ধরে পাতা দেয়। গাছের উচ্চতা ৬ ফুট হলেই কেটে দিতে হয় যেন গাছে পাতা বেশি হয়। বিভিন্ন উচ্চতায় ছেঁটে দিয়ে তুঁত গাছকে ‘ঝুপি’, ‘ঝাড়’ ও ‘গাছ তুঁত’ আকার দেয়া যায়।

বীজ থেকে তুঁত গাছের চারা হয়। তবে আমাদের দেশে কলম করে এবং কাটিং করে তুঁত গাছের চারা তৈরি করা হয়। প্রতি বিঘা ‘ঝুপি’ তুঁত থেকে ১০০-১২০ মণ পাতা পাওয়া যায় এবং এই পাতা থেকে বছরে ১৪৯-১৮৬ কেজি রেশম গুটি উৎপন্ন করা যায়। সাধারণত একটি তুঁত গাছের জন্য একটি ডিম প্রয়োজন।

ডিম হতে পুল রেশম পোকা বের হওয়ার ২৫ দিনের মধ্যে গুটি তৈরি করে এবং ২৫ দিন পর্যন্ত পুল পাতা খেতে থাকে। একটি রেশম মথ থেকে ৫০০ রেশম পোকা জন্ম নিয়ে গুটি তৈরি করে। ফলে ১ কেজি ভালো মানের গুটি পেতে হলে ৬০০-৭০০টি ভালো মানের রেশম পোকার প্রয়োজন। প্রতি কেজি গুটি ২৩০-২৪০ টাকা দরে বর্তমানে সূতা কোম্পানির কাছে বিক্রি করা হয়।

তুঁত গাছ থেকে উন্নত মানের রেশম গুটি সংগ্রহ করতে চাইলে এই গাছের সেচ ব্যবস্থার দিকে নজর দিতে হবে। বর্ষা মৌসুমে উপযুক্ত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা এবং শুষ্ক মৌসুমে পর্যাপ্ত পরিমাণে সঠিক উপায়ে সেচের ব্যবস্থা করতে হবে।তুঁত গাছ আমাদের রেশম শিল্পের জন্য অপরিহার্য।

Tags: তুঁত ফলের ঔষধি গুন

এই ক্যাটাগরির অন্য সংবাদ

অ্যাকুয়ারিয়ামের মাছ হঠাৎ মরে কেন?

অ্যাকুয়ারিয়ামের মাছ হঠাৎ মরে কেন?

বিশ্বের ১০ জলাধার হারিয়ে যাচ্ছে, বাড়ছে ‘মহাদেশীয় শুষ্কতা’

বিশ্বের ১০ জলাধার হারিয়ে যাচ্ছে, বাড়ছে ‘মহাদেশীয় শুষ্কতা’

গ্রীষ্মের তাপ: বাগানের গাছকে সুরক্ষিত রাখতে যা করবেন

জিরা ও আদা উৎপাদনে সাফল্য

জাদুকরী ফল মিরাকল বেরি চাষ ও যত্ন

দেশের কোথায় কখন পাড়া যাবে কোন জাতের আম

৯৮শতাংশ মাইক্রোপ্লাস্টিক দূর হবে শজনে বীজে!

ঘর সাজাতে গাছ ও বাহারি টব,যত্নে বাড়ুক টবের গাছ

টবে ফুল গাছ রোপণের নিয়ম

ধানে অল্প পানি দিয়ে সেচ ব্যবস্থার উপায়

সর্বশেষ সংবাদ

কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচ বাংলাদেশি নিহত

কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচ বাংলাদেশি নিহত

রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

বাংলাদেশকে আঞ্চলিক অ্যাভিয়েশন হাব করতে চায় সরকার: বিমানমন্ত্রী

বাংলাদেশকে আঞ্চলিক অ্যাভিয়েশন হাব করতে চায় সরকার: বিমানমন্ত্রী

বৃক্ষরোপণে মৃত্যুর পরও সওয়াব লাভ

বৃক্ষরোপণে মৃত্যুর পরও সওয়াব লাভ

ইউরোপজুড়ে প্রলয়ঙ্কারী হিটডোম, বিপর্যস্ত প্রাণ-প্রকৃতি

ইউরোপজুড়ে প্রলয়ঙ্কারী হিটডোম, বিপর্যস্ত প্রাণ-প্রকৃতি

ভাড়া বৃদ্ধিতে ক্ষুব্ধ চাষিদের মহাসড়ক অবরোধ

আলু সংরক্ষণের ভাড়া: প্রয়োজন স্বচ্ছতা ও সমঝোতা

Load More

এগ্রি সংবাদ আর্কাইভ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 ১২৩৪৫
৭৮৯১০১১১১৩
৪১৫১৬১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৯৩০  
Facebook Youtube Linkedin X-twitter
  • Home
  • About
  • Advertisement
  • Bangla Converter
  • Career
  • Privacy Policy
  • Contact
  • Home
  • About
  • Advertisement
  • Bangla Converter
  • Career
  • Privacy Policy
  • Contact

Copyright © 2026 Agri Sangbad, All rights reserved | Development & Maintenance By: </> Hur Agency

No Result
View All Result
  • মূলপাতা
  • কৃষি সংবাদ
  • বাজার ও মূল্য
  • কৃষি পরামর্শ
  • জলবায়ু ও পরিবেশ
  • পশুপালন ও মৎস্য
  • নগরায়ন
  • পর্যটন
  • অন্যান্য
    • লিড নিউজ
    • ফোকাস
    • হাইলাইটস
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • মুক্ত আলোচনা
    • সাক্ষাৎকার
    • সমৃদ্ধি
    • প্রবাস
    • কৃষি প্রযুক্তি
    • প্রেস বিজ্ঞপ্তি
    • কৃষি উদ্যোক্তা

Press Release: agrisangbad@gmail.com