ঢাকা,
|
Agri Sangbad
  • মূলপাতা
  • কৃষি সংবাদ
  • বাজার ও মূল্য
  • কৃষি পরামর্শ
  • জলবায়ু ও পরিবেশ
  • পশুপালন ও মৎস্য
  • নগরায়ন
  • পর্যটন
  • অন্যান্য
    • লিড নিউজ
    • ফোকাস
    • হাইলাইটস
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • মুক্ত আলোচনা
    • সাক্ষাৎকার
    • সমৃদ্ধি
    • প্রবাস
    • কৃষি প্রযুক্তি
    • প্রেস বিজ্ঞপ্তি
    • কৃষি উদ্যোক্তা
No Result
View All Result
Agri Sangbad
  • মূলপাতা
  • কৃষি সংবাদ
  • বাজার ও মূল্য
  • কৃষি পরামর্শ
  • জলবায়ু ও পরিবেশ
  • পশুপালন ও মৎস্য
  • নগরায়ন
  • পর্যটন
  • অন্যান্য
    • লিড নিউজ
    • ফোকাস
    • হাইলাইটস
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • মুক্ত আলোচনা
    • সাক্ষাৎকার
    • সমৃদ্ধি
    • প্রবাস
    • কৃষি প্রযুক্তি
    • প্রেস বিজ্ঞপ্তি
    • কৃষি উদ্যোক্তা
No Result
View All Result
Agri Sangbad
No Result
View All Result
Home কৃষি প্রযুক্তি

নির্ধারিত ভাড়ায় কোল্ড স্টোরেজ পরিচালনা অসম্ভব

ব্যয় বেড়েছে, ভাড়া বাড়েনি; বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে বিপর্যয়ের আশঙ্কা

Agri Sangbad Site Iconbyএগ্রি সংবাদ করেসপন্ডেন্ট
আগস্ট ১, ২০২৬
in কৃষি প্রযুক্তি, কৃষি সংবাদ, ফোকাস
A A
ফেসবুকহোয়াটসঅ্যাপ

আলু উৎপাদনে টানা দুই বছর উদ্বৃত্ত থাকলেও কোল্ড স্টোরেজ বা হিমাগার শিল্প এখন গভীর আর্থিক সংকটের মুখে। বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি, ব্যাংক ঋণের কিস্তি, শ্রমিকের মজুরি, যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ ও অন্যান্য পরিচালন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় সরকার নির্ধারিত ভাড়ায় হিমাগার পরিচালনা করা আর সম্ভব হচ্ছে না বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশন।

সংগঠনটি দাবি করছে, ২০২৫ সালে সরকার প্রতি কেজি আলু সংরক্ষণের সর্বোচ্চ ভাড়া ৬ টাকা ৭৫ পয়সা নির্ধারণ করলেও চলতি বছরে ব্যয় আরও বেড়েছে। কিন্তু সেই ভাড়া অপরিবর্তিত থাকায় অধিকাংশ হিমাগার লোকসানের মুখে পড়েছে। পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে অনেক হিমাগার পরিচালনা বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা কৃষক, ব্যবসায়ী ও দেশের খাদ্য নিরাপত্তার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

শনিবার রাজধানীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ এসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু এ বক্তব্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আলু বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান কৃষিপণ্য। রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, মুন্সিগঞ্জ, চাঁদপুর, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী ও গাজীপুরসহ বিভিন্ন অঞ্চলে আলুর ব্যাপক উৎপাদন হয় এবং এসব এলাকা কেন্দ্রিকভাবেই অধিকাংশ হিমাগার গড়ে উঠেছে।’ তিনি জানান, ২০১৩, ২০১৪, ২০১৫ ও ২০১৭ সালেও আলুর বাজারে মূল্যপতনের কারণে বিপুল পরিমাণ সংরক্ষিত আলু বিক্রি করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে বহু হিমাগার মালিক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হন। সেই ক্ষতি পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠার আগেই আবার নতুন সংকট দেখা দিয়েছে।

*টানা দুই বছর উদ্বৃত্ত উৎপাদন:
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০২৫ সালে দেশে প্রায় ১ কোটি ১৫ লাখ মেট্রিক টন আলু উৎপাদিত হয়, যা দেশের চাহিদার তুলনায় প্রায় ২৫ লাখ মেট্রিক টন বেশি। ওই বছর দেশের ৩৫১টি হিমাগারে প্রায় ৩৪ লাখ মেট্রিক টন আলু সংরক্ষণ করা হয়। তবে অতিরিক্ত উৎপাদনের কারণে অনেক কৃষক ন্যায্যমূল্য পাননি এবং উৎপাদন খরচের চেয়েও কম দামে আলু বিক্রি করতে বাধ্য হন। চলতি বছরও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে দেশে প্রায় ১ কোটি ১২ লাখ মেট্রিক টন আলু উৎপাদিত হয়েছে, যা দেশের চাহিদার তুলনায় প্রায় ২২ লাখ মেট্রিক টন বেশি। এ বছরও ৩৫১টি হিমাগারে প্রায় ৩৪ লাখ মেট্রিক টন আলু সংরক্ষণ করা হয়েছে।

*ব্যয় বেড়েছে, ভাড়া বাড়েনি:
অ্যাসোসিয়েশনের অভিযোগ, ২০২৬ সালের ১ জুন থেকে হিমাগার শিল্পে ব্যবহৃত বিদ্যুতের বাণিজ্যিক ট্যারিফ ১৮ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাশাপাশি শ্রমিকের মজুরি, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন, অ্যামোনিয়া গ্যাস, লুব্রিকেন্ট, যন্ত্রাংশ ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়ও বেড়েছে। কিন্তু এসব ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে ভাড়া সমন্বয় করা হয়নি। সংগঠনটি জানায়, তারা কৃষি মন্ত্রণালয়ে একাধিকবার ভাড়া পুনর্র্নিধারণের আবেদন করেছে। এমনকি একটি কারিগরি কমিটিও বিষয়টি পর্যালোচনা করে সুপারিশ দিয়েছে। তবুও এখন পর্যন্ত সরকার নতুন ভাড়া নির্ধারণ করেনি।

*৬ টাকা ৭৫ পয়সায় ‘টিকে থাকা’ সম্ভব নয়:
সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, একটি ১০ হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার হিমাগারে ব্যাংক ঋণের সুদ ও কিস্তি এবং বিদ্যুৎ ব্যয় মিলিয়ে প্রতি কেজি আলু সংরক্ষণে খরচ দাঁড়ায় প্রায় ৭ টাকা ১১ পয়সা। এর সঙ্গে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন, অ্যামোনিয়া গ্যাস, যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ, লুব্রিকেন্টসহ অন্যান্য পরিচালন ব্যয় যোগ করলে প্রকৃত ব্যয় দাঁড়ায় প্রতি কেজিতে প্রায় ৯ টাকা ৬২ পয়সা। অথচ সরকার নির্ধারিত ভাড়া ৬ টাকা ৭৫ পয়সা হওয়ায় অধিকাংশ হিমাগার লোকসান গুনছে। সভাপতির ভাষ্য, এই অবস্থায় অনেক মালিক নিয়মিত ব্যাংক ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে পারছেন না। ফলে তারা ঋণখেলাপির ঝুঁকিতে পড়ছেন।
সংবাদ সম্মেলনে হিমাগার মালিকদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও প্রত্যাখ্যান করা হয়। সংগঠনটির দাবি, সরকার নির্ধারিত ৬ টাকা ৭৫ পয়সার বেশি ভাড়া কোনো হিমাগার নেয়নি। কিছু ব্যক্তি বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে সাধারণ কৃষক ও প্রশাসনকে ভুল বোঝানোর চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ করা হয়।

*বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে বিপর্যয়ের আশঙ্কা:
অ্যাসোসিয়েশনের মতে, আর্থিক সংকটের কারণে যদি কোনো হিমাগার নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে না পারে এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, তাহলে সংরক্ষিত আলু নষ্ট হয়ে যাবে। এতে কৃষক, ব্যবসায়ী ও হিমাগার মালিকÍসব পক্ষই বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে।

*সরকারের কাছে ছয় দফা দাবি:
সংবাদ সম্মেলনে পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের কাছে কয়েকটি সুপারিশ তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছেÍ সংগঠনটি সংকট মোকাবিলায় ক্ষতিগ্রস্ত আলুচাষিদের জন্য প্রণোদনা, ব্যক্তিমালিকানাধীন হিমাগারকে কৃষিভিত্তিক শিল্প হিসেবে বিশেষ সুবিধা, হিমাগারের বিদ্যুৎ বিলে ২০ শতাংশ রিবেট, কম সুদে দীর্ঘমেয়াদি ঋণের ব্যবস্থা, উদ্বৃত্ত আলু রপ্তানিতে প্রণোদনা ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩০ শতাংশে উন্নীত করা এবং মৌসুমি বাস্তবতা বিবেচনায় ব্যাংকঋণের কিস্তি পরিশোধে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার দাবি জানিয়েছে। অ্যাসোসিয়েশন আরও জানায়, আলু সংরক্ষণ ভাড়া নির্ধারণে গঠিত কেন্দ্রীয় কমিটিতে একজন স্বাধীন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট বা আর্থিক বিশেষজ্ঞকে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। তাদের মতে, প্রকৃত ব্যয় বিশ্লেষণ ছাড়া যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণ সম্ভব নয়।

*কৃষক ও খাদ্য নিরাপত্তার স্বার্থে সমাধানের আহ্বান:
সংবাদ সম্মেলনের শেষে সংগঠনটি দাবি করে, হিমাগার শিল্পকে টিকিয়ে রাখা শুধু মালিকদের স্বার্থের বিষয় নয়; এটি কৃষক, আলু ব্যবসায়ী এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তার সঙ্গেও সরাসরি সম্পর্কিত। তাই সরকার, কৃষক, ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করে দ্রুত একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছানোর আহ্বান জানানো হয়। সংগঠনটির মতে, পরিচালন ব্যয়, মূল্যস্ফীতি এবং বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির বাস্তবতা বিবেচনা করে আলু সংরক্ষণ ভাড়া যৌক্তিকভাবে পুনর্র্নিধারণ করা হলে হিমাগার শিল্প টিকে থাকবে এবং কৃষকরাও দীর্ঘমেয়াদে উপকৃত হবেন। অন্যথায় দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কৃষি অবকাঠামো হিসেবে বিবেচিত এই খাত বড় ধরনের সংকটে পড়তে পারে।

*‘ক্রপ জোনিং’ ম্যাপ করার দাবি:
বাংলাদেশে প্রায়ই দেখা যায় কোনো ফসলের দাম বাড়লে পরের বছর কৃষকরা ব্যাপকভাবে সেই ফসলের আবাদ করেন, যা পরবর্তীতে দাম কমিয়ে দেয়। এই সমস্যা সমাধানে এবং এলাকাভিত্তিক নির্দিষ্ট ফসলের উপযোগিতা যাচাই করতে ক্রপ জোনিং ম্যাপিং অত্যন্ত জরুরি। অর্থাৎ, যে এলাকার মাটি যে ফসলের জন্য সবচেয়ে উপযোগী, সেখানে সেই ফসলেরই চাষ নিশ্চিত করতে হবে। জেলা, উপজেলা বা ইউনিয়নভিত্তিক মাটির বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে ফসল নির্বাচন করলে উৎপাদন বাড়বে এবং কৃষকও লাভবান হবেন।

মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু বলেন, ‘ক্রপ জোনিং ম্যাপিংটা বলতে বুঝাইছি দেশে ৯০ থেকে ৯৫ লক্ষ মেট্রিক টন আলুর ডিমান্ড কিন্ত কৃষক উৎপাদন করছে ১ কোটি ১২ লক্ষ মেট্রিক টন। বেশি উৎপাদন হলে আলু নষ্ট হয়, কৃষক লোকসান করে। তাই কৃষি মন্ত্রণালয় নির্ধারণ করে দিবে কোন অঞ্চলে কি পরিমাণ জমিতে আলু চাষ করা যাবে।’

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের(বিএআরসি) কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সদস্য পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ড. মোঃ মোশাররফ উদ্দিন মোল্লা বলেন, ‘‘ বর্তমাণ কৃষির বস্তবতায় ক্রপ জোনিং ম্যাপিং অত্যন্ত জরুরি। ইতিমধ্যে আমরা ‘খামারি’ নামক একটি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে এই ব্যবস্থা চালু করেছি।”

তিনি আরোও বলেন, ‘প্রযুক্তির উদ্ভাবনে গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো (যেমন: বিএআরসি) কাজ করলেও, মাঠ পর্যায়ে এটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেওয়ার দায়িত্ব মূলত কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের(ডিএই)। প্রযুক্তি সম্প্রসারণে তারা কি করছেন তারাই বলতে পারবেন।’

তবে, ‘ক্রপ জোনিং’ ম্যাপ কৃষকদের সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে যে তাদের জমিতে কোন ফসলটি সবচেয়ে ভালো হবে। এ জন্য কৃষকদের প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় সহায়তা দেওয়ারও পরামর্শ সংশ্লিষ্টদের।

 

 

Tags: কৃষককোল্ড স্টোরেজ এসোসিয়েশনখাদ্য নিরাপত্তা

এই ক্যাটাগরির অন্য সংবাদ

নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও সুরক্ষায় নতুন প্রকল্প

নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও সুরক্ষায় নতুন প্রকল্প

চরের বালুচরে ‘সবুজ বিপ্লব’: প্রযুক্তিতে বদলে যাচ্ছে দুই কোটি মানুষের ভাগ্য

চরের বালুচরে ‘সবুজ বিপ্লব’: প্রযুক্তিতে বদলে যাচ্ছে দুই কোটি মানুষের ভাগ্য

ইমক্যাবের নতুন সভাপতি শাহীন চৌধুরী, সম্পাদক মাছুম বিল্লাহ

কেন্দুয়ায় ভাইয়ের বিরুদ্ধে জমির ধানের চারা নষ্ট করার অভিযোগ

খরা মোকাবিলায় ন্যায্য পানি বণ্টনের আহ্বান পরিবেশমন্ত্রীর

সার বিষয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়কে সহায়তায় ৩ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি

প্রায় ২৭’শ কোটি টাকায় সাড়ে তিন লাখ টন সার কিনছে সরকার

মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশক নিয়ন্ত্রণে কৃষকদের প্রশিক্ষণের উদ্যোগ

ফ্রিপ প্রকল্প: বদলে যাচ্ছে প্রান্তিক কৃষকের জীবন

ঢাকা-রিয়াদ আকাশপথে নতুন প্রতিযোগী রিয়াদ এয়ার, প্রতিদিন ফ্লাইট

সর্বশেষ সংবাদ

জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় পিছিয়ে পড়ল বাংলাদেশ

জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় পিছিয়ে পড়ল বাংলাদেশ

বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কৃষক ও মৎস্যজীবী নেবে ওমান

বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কৃষক ও মৎস্যজীবী নেবে ওমান

নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও সুরক্ষায় নতুন প্রকল্প

নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও সুরক্ষায় নতুন প্রকল্প

চরের বালুচরে ‘সবুজ বিপ্লব’: প্রযুক্তিতে বদলে যাচ্ছে দুই কোটি মানুষের ভাগ্য

চরের বালুচরে ‘সবুজ বিপ্লব’: প্রযুক্তিতে বদলে যাচ্ছে দুই কোটি মানুষের ভাগ্য

ইমক্যাবের নতুন সভাপতি শাহীন চৌধুরী, সম্পাদক মাছুম বিল্লাহ

ইমক্যাবের নতুন সভাপতি শাহীন চৌধুরী, সম্পাদক মাছুম বিল্লাহ

জলবায়ু পরিবর্তন: বাড়বে তাপপ্রবাহ-খরা-বন্যা ও খাদ্যসংকটের ঝুঁকি

জলবায়ু পরিবর্তন: বাড়বে তাপপ্রবাহ-খরা-বন্যা ও খাদ্যসংকটের ঝুঁকি

Load More
Facebook Youtube Linkedin X-twitter
  • Home
  • About
  • Advertisement
  • Bangla Converter
  • Career
  • Privacy Policy
  • Contact
  • Home
  • About
  • Advertisement
  • Bangla Converter
  • Career
  • Privacy Policy
  • Contact

Copyright © 2026 Agri Sangbad, All rights reserved | Development & Maintenance By: </> Hur Agency

No Result
View All Result
  • মূলপাতা
  • কৃষি সংবাদ
  • বাজার ও মূল্য
  • কৃষি পরামর্শ
  • জলবায়ু ও পরিবেশ
  • পশুপালন ও মৎস্য
  • নগরায়ন
  • পর্যটন
  • অন্যান্য
    • লিড নিউজ
    • ফোকাস
    • হাইলাইটস
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • মুক্ত আলোচনা
    • সাক্ষাৎকার
    • সমৃদ্ধি
    • প্রবাস
    • কৃষি প্রযুক্তি
    • প্রেস বিজ্ঞপ্তি
    • কৃষি উদ্যোক্তা

Press Release: agrisangbad@gmail.com