কানাডাকে ‘দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু’ উল্লেখ করে কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতে দেশটির কারিগরি সহযোগিতা চেয়েছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
তিনি বলেছেন, ‘কানাডা বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু। দুদেশের মধ্যে চমৎকার বাণিজ্যিক সম্পর্ক বিদ্যমান। বাংলাদেশ কানাডা থেকে নিয়মিত সার আমদানি করছে। বাংলাদেশের কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতে কারিগরি সহযোগিতা ও পরামর্শ প্রয়োজন।’ এ বিষয়ে কানাডার যে কোনো সহযোগিতাকে বাংলাদেশ স্বাগত জানাবে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অফিস কক্ষে ঢাকায় নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং কৃষিমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় উভয়ের মধ্যে দুদেশের কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাত নিয়ে আলোচনা হয়।
বাংলাদেশের অর্গানিক কৃষির সম্ভাবনা নিয়ে মন্ত্রী হাইকমিশনারকে জানান, বাংলাদেশের মাটি ও আবহাওয়া উন্নত ও গুণগত মানসম্পন্ন, যা কৃষির জন্য উপযোগী। সরকার দেশের চরাঞ্চলের রপ্তানিমুখী কৃষি উৎপাদনের পরিকল্পনা করছে।
তিনি বলেন, ‘কানাডার বেসরকারি পর্যায়ে যে কোনো প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে এ বিষয়ে কাজ করতে চাইলে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা দেবে।’
এসময় হাইকমিশনার অজিত সিং বলেন, ‘কানাডার কৃষি অনেক সমৃদ্ধ, দেশের বিশাল অংশজুড়ে কৃষিপণ্য উৎপাদন হয়। বাংলাদেশে তেলজাতীয় শস্য- ক্যানোলা রপ্তানিতে করতে তার দেশ আগ্রহী।’
বাংলাদেশের কৃষির সঙ্গে কানাডার গভীর সম্পর্ক রয়েছে উল্লেখ করে অজিত সিং জানান, কৃষি প্রযুক্তি, গবেষণা, কারিগরি সহযোগিতা, পশু উৎপাদন ও পরিচর্যা সম্পর্কিত যে কোনো বিষয়ে তার দেশ সবসময় সহয়োগিতা করতে আগ্রহী।








