ঢাকা,
|
Agri Sangbad
  • মূলপাতা
  • কৃষি সংবাদ
  • বাজার ও মূল্য
  • কৃষি পরামর্শ
  • জলবায়ু ও পরিবেশ
  • পশুপালন ও মৎস্য
  • নগরায়ন
  • পর্যটন
  • অন্যান্য
    • লিড নিউজ
    • ফোকাস
    • হাইলাইটস
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • মুক্ত আলোচনা
    • সাক্ষাৎকার
    • সমৃদ্ধি
    • প্রবাস
    • কৃষি প্রযুক্তি
    • প্রেস বিজ্ঞপ্তি
    • কৃষি উদ্যোক্তা
No Result
View All Result
Agri Sangbad
  • মূলপাতা
  • কৃষি সংবাদ
  • বাজার ও মূল্য
  • কৃষি পরামর্শ
  • জলবায়ু ও পরিবেশ
  • পশুপালন ও মৎস্য
  • নগরায়ন
  • পর্যটন
  • অন্যান্য
    • লিড নিউজ
    • ফোকাস
    • হাইলাইটস
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • মুক্ত আলোচনা
    • সাক্ষাৎকার
    • সমৃদ্ধি
    • প্রবাস
    • কৃষি প্রযুক্তি
    • প্রেস বিজ্ঞপ্তি
    • কৃষি উদ্যোক্তা
No Result
View All Result
Agri Sangbad
No Result
View All Result
Home জলবায়ু ও পরিবেশ

সারাদেশে শীত, শৈত্যপ্রবাহের কবলে ৭ জেলা

শৈত্যপ্রবাহে 'বিপর্যস্ত' জনজীবন, দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যশোর

byএগ্রি সংবাদ ডেস্ক
জানুয়ারি ২, ২০২৬
in জলবায়ু ও পরিবেশ, লিড নিউজ
A A
ফেসবুকহোয়াটসঅ্যাপ

কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শীতের তীব্রতা। দেশের সাত জেলায় আজ শুক্রবার বয়ে যাচ্ছে শৈত্যপ্রবাহ। গতকাল বৃহস্পতিবার অবশ্য ১৬ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ ছিল। সে তুলনায় আজ শৈত্যপ্রবাহের এলাকা কমেছে। আবহাওয়া অফিস বলছে, আজ দেশের তাপমাত্রা খানিকটা বাড়তে পারে। তাতে শীত একটু কমে আসতে পারে। তবে তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না। আগামী রোববার থেকে তাপমাত্রা আবার কমা শুরু করতে পারে।

আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় যশোরে, ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

যখন কোনো এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে, তখন তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলে। তাপমাত্রা ৬ দশমিক ১ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তাকে বলা হয় মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। তাপমাত্রা ৪ দশমিক ১ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তা তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলে গণ্য হয়। আর তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে গেলে তাকে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়।

আজ দেশের সাত জেলায় বয়ে যাচ্ছে শৈত্যপ্রবাহ। জেলাগুলো হলো গোপালগঞ্জ, যশোর, রাজশাহী, পাবনা, পঞ্চগড়, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গা।

শৈত্যপ্রবাহে ‘বিপর্যস্ত’ জনজীবন, দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যশোর: শীতের দাপটে কাঁপছে যশোর। গত এক সপ্তাহ ধরে অব্যাহত শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শৈত্যপ্রবাহের সঙ্গে কুয়াশা ও হিমেল হাওয়া শীতের তীব্রতাকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। ফলে গ্রামে ও শহরে জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। বৃহস্পতিবার,( ০১ জানুয়ারী ২০২৬) যশোরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এদিন যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল বুধবারও যশোরে একই তাপমাত্রা বিরাজ করেছে। এই মৌসুমে এর আগে আরও দু’দিন যশোরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

যশোর বিমানবাহিনীর আবহাওয়া অফিস সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, যশোরাঞ্চলে পৌষের দ্বিতীয় সপ্তাহেই মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছিল। এখন তাপমাত্রা আরও কমে গিয়ে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছে। বৃহস্পতিবার যশোরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। গতকাল বুধবারও যশোরে একই তাপমাত্রা বিরাজ করেছে।

এর আগে গত শনিবার যশোরের তাপমাত্রা নেমে যায় ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এটি ওইদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল। এর আগে শুক্রবারও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল যশোরে। এরপর তিন দিন তাপমাত্রার ব্যারোমিটারের পারদ সামান্য ঊর্ধ্বমুখি হলেও শীত কমেনি। বরং সূর্যের দেখা না মেলায় কুয়াশা আর উত্তরের বাতাসে বেড়েছে শীতের তীব্রতা।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ ডিগ্রি থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়ামের মধ্যে নেমে আসলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, ৬ দশমিক ১ ডিগ্রি থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়ামের মধ্যে নেমে আসলে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ, ৪ দশমিক ১ ডিগ্রি থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়ামের মধ্যে নেমে আসলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ এবং তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়ামের নিচে নেমে গেলে তাকে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়।

যশোরে শৈত্যপ্রবাহের পাশাপাশি হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়ছে। শেষ রাত থেকে শুরু করে ভোর পর্যন্ত ঘন কুয়াশা সৃষ্টি হচ্ছে। বেলা বাড়লে মাত্রা অনেকটা কমে আসলেও হালকা ধরনের কুয়াশা চোখে পড়ছে। এছাড়া মেঘের আড়াল থেকে মাঝে মধ্যে সূর্য উঁকি দিলেও তাপ ছড়াচ্ছে না। ঠাণ্ডার দাপটের কাছে যেন ম্রিয়মান ও নিস্তেজ হয়ে পড়েছে সূর্যটাও।

তীব্র এই ঠাণ্ডার কারণে কৃষকরা বোরের বীজতলা ক্ষতির আশঙ্কা করছেন। প্রচণ্ড এই ঠাণ্ডা আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকলে বীজতলা ‘কোল্ড স্ট্রোকে’ বিনষ্টের দুশ্চিন্তা করছেন। যারা আলু ও সরিষার আবাদ করেছেন তারাও ঠাণ্ডা ও কুয়াশায় চারা নষ্টের আশঙ্কা করছেন।

এদিকে গায়ে কাঁপন ধরানো ঠাণ্ডায় মানুষের পাশাপাশি প্রাণীকূলেরও জবুথবু অবস্থা। তীব্র শীতে মানুষের পাশাপাশি পশুপাখিরাও নাকাল হয়ে পড়ছে। শীতের দাপটে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছেন শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষ। জীবন-জীবিকার তাগিদে শীত উপেক্ষা করে তাদের রুটি-রুজির সন্ধানে ঘরের বাইরে বের হতে হচ্ছে। হাড় কাঁপানো ঠাণ্ডার মধ্যে ভোরের আলো ফুটতেই কাজের জন্য বাড়ির বাইরে বেরিয়ে পড়ছেন।

এদিকে শহরের চাইতে গ্রামের দিকে শীতের তীব্রতা তুলনায় বেশি। গ্রাম এলাকায় হিমেল হাওয়া এবং কুয়াশাও বেশি পড়ছে। সঙ্গত কারণে গ্রামের দিকে শীতও অনুভূত হচ্ছে বেশি। তাই গ্রামের শীত যেন সূচের মতন করে হাড়ে বিঁধছে বলে জানালেন মাহিদিয়া গ্রামের বাসিন্দা শিমুল হোসেন। তিনি বলেন, শীত জেঁকে বসায় মানুষজন ঘর থেকে কম বের হচ্ছে। বাজারে লোকজনের আনাগোনা কমে গেছে। দরকার না হলে সেভাবে কেউ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। বিকেলের দিকে বাজারে মানুষজনের উপস্থিতি একটু বাড়লেও সন্ধ্যার পর যেন জনশূন্য হয়ে যাচ্ছে।

চাঁচড়া এলাকার রিকশাচালক রহিম আলী বলেন, শীতের সকালে ও রাতে একেবারেই যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে না। বেলা একটু বাড়লে লোকজন কাজে বাইরে আসছে। কিন্তু যাত্রী কমে যাওয়ায় আয় রোজগারও কমেছে।

এছাড়া প্রচণ্ড শীতের কারণে শুধু গরম কাপড়ে শীত মোকাবিলা করা যাচ্ছে না। তাই কাঠের টুকরা, কাগজ কিংবা খড়কুটা জ্বালিয়ে গ্রামে ও শহরে সবখানে আগুনের ওম নেয়ার চেষ্টার দৃশ্য নজরে পড়ছে।

Tags: ৭ জেলাজনজীবনবিপর্যস্তশৈত্যপ্রবাহ

এই ক্যাটাগরির অন্য সংবাদ

জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় পিছিয়ে পড়ল বাংলাদেশ

জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় পিছিয়ে পড়ল বাংলাদেশ

নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও সুরক্ষায় নতুন প্রকল্প

নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও সুরক্ষায় নতুন প্রকল্প

জলবায়ু পরিবর্তন: বাড়বে তাপপ্রবাহ-খরা-বন্যা ও খাদ্যসংকটের ঝুঁকি

১৫ দিনের মধ্যে বুড়িগঙ্গার তীর থেকে প্লাস্টিক বর্জ্য সরানোর নির্দেশ

খরা মোকাবিলায় ন্যায্য পানি বণ্টনের আহ্বান পরিবেশমন্ত্রীর

প্রায় ২৭’শ কোটি টাকায় সাড়ে তিন লাখ টন সার কিনছে সরকার

ঢাকায় অতিতপ্ত অঞ্চল বেড়েছে তিন গুণ

প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ইপিআর নির্দেশিকা জারি

ফ্রিপ প্রকল্প: বদলে যাচ্ছে প্রান্তিক কৃষকের জীবন

সড়ক ও বাঁধের ভাঙন ঠেকাতে বিন্না ঘাস ব্যবহারের উদ্যোগ

সর্বশেষ সংবাদ

জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় পিছিয়ে পড়ল বাংলাদেশ

জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় পিছিয়ে পড়ল বাংলাদেশ

বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কৃষক ও মৎস্যজীবী নেবে ওমান

বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কৃষক ও মৎস্যজীবী নেবে ওমান

নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও সুরক্ষায় নতুন প্রকল্প

নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও সুরক্ষায় নতুন প্রকল্প

চরের বালুচরে ‘সবুজ বিপ্লব’: প্রযুক্তিতে বদলে যাচ্ছে দুই কোটি মানুষের ভাগ্য

চরের বালুচরে ‘সবুজ বিপ্লব’: প্রযুক্তিতে বদলে যাচ্ছে দুই কোটি মানুষের ভাগ্য

ইমক্যাবের নতুন সভাপতি শাহীন চৌধুরী, সম্পাদক মাছুম বিল্লাহ

ইমক্যাবের নতুন সভাপতি শাহীন চৌধুরী, সম্পাদক মাছুম বিল্লাহ

জলবায়ু পরিবর্তন: বাড়বে তাপপ্রবাহ-খরা-বন্যা ও খাদ্যসংকটের ঝুঁকি

জলবায়ু পরিবর্তন: বাড়বে তাপপ্রবাহ-খরা-বন্যা ও খাদ্যসংকটের ঝুঁকি

Load More
Facebook Youtube Linkedin X-twitter
  • Home
  • About
  • Advertisement
  • Bangla Converter
  • Career
  • Privacy Policy
  • Contact
  • Home
  • About
  • Advertisement
  • Bangla Converter
  • Career
  • Privacy Policy
  • Contact

Copyright © 2026 Agri Sangbad, All rights reserved | Development & Maintenance By: </> Hur Agency

No Result
View All Result
  • মূলপাতা
  • কৃষি সংবাদ
  • বাজার ও মূল্য
  • কৃষি পরামর্শ
  • জলবায়ু ও পরিবেশ
  • পশুপালন ও মৎস্য
  • নগরায়ন
  • পর্যটন
  • অন্যান্য
    • লিড নিউজ
    • ফোকাস
    • হাইলাইটস
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • মুক্ত আলোচনা
    • সাক্ষাৎকার
    • সমৃদ্ধি
    • প্রবাস
    • কৃষি প্রযুক্তি
    • প্রেস বিজ্ঞপ্তি
    • কৃষি উদ্যোক্তা

Press Release: agrisangbad@gmail.com