ঢাকা,
|
Agri Sangbad
  • মূলপাতা
  • কৃষি সংবাদ
  • বাজার ও মূল্য
  • কৃষি পরামর্শ
  • জলবায়ু ও পরিবেশ
  • পশুপালন ও মৎস্য
  • নগরায়ন
  • পর্যটন
  • অন্যান্য
    • লিড নিউজ
    • ফোকাস
    • হাইলাইটস
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • মুক্ত আলোচনা
    • সাক্ষাৎকার
    • সমৃদ্ধি
    • প্রবাস
    • কৃষি প্রযুক্তি
    • প্রেস বিজ্ঞপ্তি
    • কৃষি উদ্যোক্তা
No Result
View All Result
Agri Sangbad
  • মূলপাতা
  • কৃষি সংবাদ
  • বাজার ও মূল্য
  • কৃষি পরামর্শ
  • জলবায়ু ও পরিবেশ
  • পশুপালন ও মৎস্য
  • নগরায়ন
  • পর্যটন
  • অন্যান্য
    • লিড নিউজ
    • ফোকাস
    • হাইলাইটস
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • মুক্ত আলোচনা
    • সাক্ষাৎকার
    • সমৃদ্ধি
    • প্রবাস
    • কৃষি প্রযুক্তি
    • প্রেস বিজ্ঞপ্তি
    • কৃষি উদ্যোক্তা
No Result
View All Result
Agri Sangbad
No Result
View All Result
Home মুক্ত আলোচনা

উত্তম কৃষি চর্চা: নিরাপদ আম উৎপাদন, অডিট কার্যক্রম, সার্টিফিকেশন এবং টেকসই কৃষির নতুন দিগন্ত

আন্তর্জাতিক বাজারে নিরাপদ খাদ্যের চাহিদা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, জাপান, মধ্যপ্রাচ্য এবং অন্যান্য উচ্চমূল্যের বাজারে প্রবেশের জন্য নিরাপদ উৎপাদন, ট্রেসেবিলিটি এবং মান নিয়ন্ত্রণ অপরিহার্য।

Agri Sangbad Site Iconbyএগ্রি সংবাদ করেসপন্ডেন্ট
জুলাই ২১, ২০২৬
in মুক্ত আলোচনা, হাইলাইটস
A A
ফেসবুকহোয়াটসঅ্যাপ

ড. মাহবুবা মুনমুন:
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ, যেখানে কৃষি শুধু খাদ্য উৎপাদনের মাধ্যম নয়, বরং অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং গ্রামীণ জীবিকার অন্যতম ভিত্তি। দেশের ফল উৎপাদনের মধ্যে আম সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় ফল হিসেবে পরিচিত। প্রায় প্রতিটি জেলায় আম উৎপাদিত হলেও রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, দিনাজপুর, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, যশোর ও সাতক্ষীরা অঞ্চল বাণিজ্যিক আম উৎপাদনের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।

বর্তমানে বাংলাদেশের আম দেশীয় বাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও প্রবেশ করছে। মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, যুক্তরাজ্য, ইতালি, জার্মানি, কানাডা, জাপান ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের আম রপ্তানির সুযোগ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে এই বাজারে টেকসই অবস্থান তৈরি করতে হলে শুধু অধিক উৎপাদন নয়, নিরাপদ, মানসম্মত ও ট্রেসযোগ্য উৎপাদন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা অপরিহার্য।

এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ উত্তম কৃষি চর্চা (Bangladesh GAP) একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় উদ্যোগ। এটি এমন একটি সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থাপনা কাঠামো, যা নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, পরিবেশ সংরক্ষণ, শ্রমিকের নিরাপত্তা, প্রাকৃতিক সম্পদের টেকসই ব্যবহার এবং আন্তর্জাতিক বাজারের মানদণ্ড পূরণে সহায়তা করে। (Bangladesh GAP) অনুসরণ করে আম উৎপাদন করলে কৃষক যেমন অধিক মূল্য ও বাজার সুবিধা পান, তেমনি ভোক্তাও নিরাপদ ফল ভোগের নিশ্চয়তা লাভ করেন।

*বাংলাদেশে আম উৎপাদনের বর্তমান বাস্তবতা:
বাংলাদেশে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ আম উৎপাদিত হলেও উৎপাদন ব্যবস্থায় এখনও কিছু কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা বিদ্যমান। অনেক ক্ষেত্রে অনুমোদনহীন কীটনাশক ব্যবহার, প্রি-হারভেস্ট ইন্টারভ্যাল (পিএইচআই) অনুসরণ না করা, অপর্যাপ্ত রেকর্ড সংরক্ষণ, অপরিকল্পিত সার ব্যবস্থাপনা, সংগ্রহোত্তর ক্ষতি, ট্রেসেবিলিটি ব্যবস্থার অভাব দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে আস্থা তৈরির ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।

আন্তর্জাতিক ক্রেতারা বর্তমানে শুধু ফলের গুণগত মানই নয়; বরং জানতে চান ফলটি কোথায় উৎপাদিত হয়েছে, কী ধরনের সার ও কীটনাশক ব্যবহার করা হয়েছে, শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে কিনা এবং উৎপাদনের প্রতিটি ধাপ যথাযথভাবে নথিভুক্ত আছে কিনা। অর্থাৎ আধুনিক কৃষিতে এখন ‘Farm to Fork’ ধারণাই মূল ভিত্তি।

*উত্তম কৃষি চর্চা (Bangladesh GAP):
ধারণা ও উদ্দেশ্য:

Bangladesh GAP হলো এমন একটি মানসম্মত কৃষি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি, যার মাধ্যমে উৎপাদনের প্রতিটি ধাপে খাদ্য নিরাপত্তা ও গুণগত মান নিশ্চিত করা হয়। এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো; নিরাপদ কৃষিপণ্য উৎপাদন, ভোক্তার স্বাস্থ্য সুরক্ষা, পরিবেশ সংরক্ষণ, কৃষকের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, প্রাকৃতিক সম্পদের টেকসই ব্যবহার, রপ্তানিযোগ্য মানসম্পন্ন কৃষিপণ্য উৎপাদন, ট্রেসেবিলিটি নিশ্চিত করা, বাজারে ভোক্তার আস্থা বৃদ্ধি করা

*Bangladesh GAP অনুসরণে আম উৎপাদনের ধাপসমূহঃ
১. বাগান নির্বাচন ও পরিকল্পনা: উৎপাদনের প্রথম ধাপই হলো উপযুক্ত স্থান নির্বাচন। জমি নির্বাচনকালে পূর্ববর্তী জমির ব্যবহার, সম্ভাব্য দূষণের উৎস, পানি নিষ্কাশন, সেচ সুবিধা এবং মাটির গুণাগুণ বিবেচনা করতে হবে। বাগানের একটি মানচিত্র (Farm Map) প্রস্তুত করা Bangladesh GAP -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত।

২. মাটি পরীক্ষা ও পুষ্টি ব্যবস্থাপনা: মাটি পরীক্ষা ছাড়া সার ব্যবহার করা এখন আর বৈজ্ঞানিক কৃষি নয়। মাটি বিশ্লেষণের মাধ্যমে পিএইচ(PH), জৈব পদার্থ, নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাশ, সালফার, জিংক, বোরন ইত্যাদি নির্ধারণ করে সার ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা করতে হয়। এতে উৎপাদন ব্যয় কমে এবং ফলের গুণগত মান বৃদ্ধি পায়।

৩. উন্নত চারা নির্বাচন: Bangladesh GAP অনুযায়ী শুধুমাত্র সুস্থ, রোগমুক্ত ও বিশ্বস্ত উৎসের চারা ব্যবহার করতে হবে।চারা সংগ্রহের তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে। সেখানে নার্সারির নাম, জাত, ক্রয়ের তারিখ ও ব্যাচ নম্বর (যদি থাকে) সংরক্ষণ করতে হবে।

৪. সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা (IPM): Bangladesh GAP রাসায়নিক নির্ভর কৃষিকে উৎসাহিত করে না। সেক্ষেত্রে ফেরোমন ফাঁদ, আঠালো ফাঁদ, আলোক ফাঁদ, জৈব নিয়ন্ত্রণ, উপকারী পোকা সংরক্ষণ, রোগ প্রতিরোধী জাত ব্যবহারকে অগ্রাধিকার দেয়। রাসায়নিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে অবশ্যই অনুমোদিত বালাইনাশক নির্ধারিত মাত্রায় ব্যবহার করতে হবে।

৫. কীটনাশক ব্যবহারে সতর্কতা: প্রতিটি স্প্রের ক্ষেত্রে সংরক্ষণ করতে হবে। সেক্ষেত্রে কীটনাশকের নাম, সক্রিয় উপাদান, ডোজ, স্প্রের তারিখ, প্রয়োগকারী ব্যক্তি ও PHI (পিআইএইচ) এগুলো অডিটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৬. পানি ব্যবস্থাপনা: সেচের জন্য ব্যবহৃত পানির উৎস দূষণমুক্ত হতে হবে। পানির উৎসের নিকটে শিল্পবর্জ্য,হাসপাতালের বর্জ্য, ড্রেন, রাসায়নিক কারখানা থাকা উচিত নয়।

৭. শ্রমিক স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা: Bangladesh GAP শ্রমিক কল্যাণকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়। কৃষি শ্রমি দের জন্য বিশুদ্ধ পানীয় জল, হাত ধোয়ার ব্যবস্থা, টয়লেট, PPE(পিপিই), প্রাথমিক চিকিৎসা বাক্স, নিরাপদ কীটনাশক ব্যবহার প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

৮. ফসল সংগ্রহ ও সংগ্রহোত্তর ব্যবস্থাপনা: আম সংগ্রহের সময় পরিপক্বতা, পরিষ্কার যন্ত্রপাতি, পরিষ্কার ঝুড়ি, ছায়াযুক্ত স্থান, দ্রুত গ্রেডিং নিশ্চিত করতে হবে।

*ট্রেসেবিলিটি: আধুনিক কৃষির প্রাণ:
আজকের বিশ্ববাজারে ট্রেসেবিলিটি ছাড়া নিরাপদ খাদ্য কল্পনা করা যায় না। একটি আমের বাক্স দেখে জানা যাবে কোন বাগানে উৎপাদিত, কোন কৃষক উৎপাদন করেছেন, কী সার ব্যবহার হয়েছে, কীটনাশক কী ছিল, কোন তারিখে সংগ্রহ করা হয়েছে। এই ব্যবস্থাই (Bangladesh GAP)-এর অন্যতম শক্তিশালী দিক।

*Bangladesh GAP অডিট: কী এবং কেন?: 
অডিট হলো উৎপাদন ব্যবস্থার স্বাধীন মূল্যায়ন। এর মাধ্যমে যাচাই করা হয় কৃষক Bangladesh GAP অনুসরণ করছেন কিনানথিপত্র সঠিক কিনা, বাস্তব মাঠ পরিস্থিতি রেকর্ডের সঙ্গে মিলছে কিনা, খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে কিনা।

*অডিটের ধাপসমূহ:
সাধারণত (Bangladesh GAP) অডিটে নিম্নলিখিত ধাপ অনুসরণ করা হয়; ১. আবেদন গ্রহণ ২. নথিপত্র পর্যালোচনা ৩. অডিট পরিকল্পনা ৪. উদ্বোধনী সভা ৫. মাঠ পরিদর্শন ৬. রেকর্ড যাচাই ৭. শ্রমিক সাক্ষাৎকার ৮. সংগ্রহোত্তর কেন্দ্র পরিদর্শন ৯. সমাপনী সভা ১০. অডিট রিপোর্ট প্রস্তুত।

*অডিটে যেসব বিষয় মূল্যায়ন করা হয়: Farm Management, Soil Management Fertilizer Management, Water Management, Pesticide Management, Harvest Management, Traceability, Waste Management, Environmental Protection, Worker Welfare, Internal Audit Record Keeping.

*নন-কনফরমিটি (Non-conformity): অডিট চলাকালে বিভিন্ন ধরনের ত্রুটি শনাক্ত হতে পারে। যেমন; রেকর্ড নেই, অনুমোদনহীন কীটনাশক ব্যবহার, PPE (পিপিই) ব্যবহার না করা, লেবেলবিহীন রাসায়নিক সংরক্ষণ, PHI অনুসরণ না করা এসব নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশোধন করতে হয়।

*সার্টিফিকেশন প্রক্রিয়া: Bangladesh GAP সার্টিফিকেশন সাধারণত নিম্নলিখিত ধাপে সম্পন্ন হয়; আবেদন, নথি যাচাই, অডিট, রিপোর্ট মূল্যায়ণ, সংশোধনী ব্যবস্থা, সার্টিফিকেশন সিদ্ধান্ত, সনদ প্রদান ও Surveillance Audit.

*সার্টিফিকেশন কৃষকের জন্য কী পরিবর্তন আনে?: গবেষণা ও মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায়, GAP (গ্যাপ) অনুসরণকারী কৃষকদের মধ্যে উৎপাদন ব্যবস্থাপনা উন্নত হয়, কীটনাশকের অপচয় কমে, বাজারে বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ে, আধুনিক বাজারে প্রবেশ সহজ হয়, রপ্তানির সুযোগ বৃদ্ধি পায়, উৎপাদন ব্যয় সাশ্রয় হতে পারে, কৃষকের আয় বৃদ্ধি পায়, পরিবেশ দূষণ কমে ও ভোক্তার স্বাস্থ্যঝুঁকি হ্রাস পায়।

*বাংলাদেশে আম রপ্তানি বৃদ্ধিতে Bangladesh GAP-এর ভূমিকা:
আন্তর্জাতিক বাজারে নিরাপদ খাদ্যের চাহিদা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, জাপান, মধ্যপ্রাচ্য এবং অন্যান্য উচ্চমূল্যের বাজারে প্রবেশের জন্য নিরাপদ উৎপাদন, ট্রেসেবিলিটি এবং মান নিয়ন্ত্রণ অপরিহার্য। Bangladesh GAP এই তিনটি বিষয়কে একটি সমন্বিত কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসে। ফলে বাংলাদেশি আম আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে অধিক গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠে এবং রপ্তানির সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। তবে সার্টিফিকেশনকে শুধু রপ্তানিমুখী উদ্যোগ হিসেবে দেখলে চলবে না। দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারেও সুপারশপ, হোটেল, রেস্তোরাঁ, প্রাতিষ্ঠানিক ক্রেতা এবং সচেতন ভোক্তাদের কাছে এঅচ-সার্টিফায়েড আমের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। ভবিষ্যতে ডিজিটাল ট্রেসেবিলিটি, কিউআর কোডভিত্তিক পণ্যের তথ্য এবং কৃষকভিত্তিক উৎপাদন রেকর্ড ভোক্তার আস্থা আরও শক্তিশালী করবে।

*চ্যালেঞ্জ:
Bangladesh GAP বাস্তবায়নে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ এখনও বিদ্যমান: ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে সচেতনতার সীমাবদ্ধতা, পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ ও সম্প্রসারণ সহায়তার ঘাটতি, রেকর্ড সংরক্ষণের অভ্যাসের অভাব, পরীক্ষাগার সুবিধা ও অবশিষ্টাংশ (MRL) পরীক্ষার সীমিত সক্ষমতা, সংগঠিত উৎপাদক দল (Producer Group) গঠনের সীমাবদ্ধতা, নিরাপদ পণ্যের জন্য পৃথক বাজার ও মূল্য প্রণোদনার অভাব, ডিজিটাল ট্রেসেবিলিটি ব্যবস্থার সীমিত বিস্তার।

*করণীয়:
Bangladesh GAP-এর কার্যকর সম্প্রসারণের জন্য নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। কৃষকদের ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ ও মাঠভিত্তিক পরামর্শ প্রদান, উৎপাদক দলভিত্তিক (Group Certification) সার্টিফিকেশন সম্প্রসারণ। ডিজিটাল রেকর্ড ও ট্রেসেবিলিটি ব্যবস্থা চালু করা, মানসম্মত প্যাকহাউস, গ্রেডিং ও শীতল শৃঙ্খল (Cold Chain) অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষক, ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের মধ্যে GAP-সার্টিফায়েড পণ্যের বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, সরকারি, বেসরকারি ও উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত অংশীদারিত্ব জোরদার করা, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয় ও সম্প্রসারণ সংস্থার মাধ্যমে প্রযুক্তিগত সহায়তা বৃদ্ধি, দেশীয় বাজারে এঅচ-সার্টিফায়েড পণ্যের জন্য পৃথক ব্র্যান্ডিং ও বাজার সংযোগ গড়ে তোলা।

*উপসংহার:
নিরাপদ খাদ্য, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান নিশ্চিত করতে বাংলাদেশে আম উৎপাদনে ইধহমষধফবংয এঅচ অনুসরণ এখন সময়ের দাবি। এটি কেবল একটি সার্টিফিকেশন ব্যবস্থা নয়; বরং বৈজ্ঞানিক কৃষি ব্যবস্থাপনা, জবাবদিহিতা, ট্রেসেবিলিটি এবং টেকসই উন্নয়নের একটি সমন্বিত দর্শন।

ভবিষ্যতের কৃষি হবে তথ্যনির্ভর, মাননির্ভর এবং বাজারমুখী। সেই ভবিষ্যতের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশএঅচ-ভিত্তিক আম উৎপাদন ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা গেলে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি কৃষকের আয় বৃদ্ধি, রপ্তানি সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশের কৃষিকে বৈশ্বিক মানদণ্ডে আরও সুপ্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব হবে। সরকার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, সার্টিফিকেশন সংস্থা, বেসরকারি খাত এবং কৃষকদের সম্মিলিত উদ্যোগই এই রূপান্তরের মূল চালিকাশক্তি।

 

Tags: Bangladesh GAPউত্তম কৃষি চর্চাবাংলাদেশ

এই ক্যাটাগরির অন্য সংবাদ

জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় পিছিয়ে পড়ল বাংলাদেশ

জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় পিছিয়ে পড়ল বাংলাদেশ

বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কৃষক ও মৎস্যজীবী নেবে ওমান

বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কৃষক ও মৎস্যজীবী নেবে ওমান

১৫ দিনের মধ্যে বুড়িগঙ্গার তীর থেকে প্লাস্টিক বর্জ্য সরানোর নির্দেশ

বিকাশ মার্চেন্টদের জামানতবিহীন ঋণ দিচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংক

‘নবীপ্রেম শুধু আবেগ নয়, এটি চরিত্র, জীবনদর্শন ও মানবিক দায়িত্ব’

‘হিউমি কিং’এ কোন ভেজাল নেই

প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ইপিআর নির্দেশিকা জারি

জমি ও ফসলের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ‘হিউমি কিং’

বাড়বে তিস্তার পানি,তিন জেলার নিম্নাঞ্চলে প্লাবনের শঙ্কা

ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্স: মেঘের দেশে রাজকীয় আতিথেয়তায় ব্রাজিলের পথে

সর্বশেষ সংবাদ

জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় পিছিয়ে পড়ল বাংলাদেশ

জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় পিছিয়ে পড়ল বাংলাদেশ

বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কৃষক ও মৎস্যজীবী নেবে ওমান

বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কৃষক ও মৎস্যজীবী নেবে ওমান

নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও সুরক্ষায় নতুন প্রকল্প

নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও সুরক্ষায় নতুন প্রকল্প

চরের বালুচরে ‘সবুজ বিপ্লব’: প্রযুক্তিতে বদলে যাচ্ছে দুই কোটি মানুষের ভাগ্য

চরের বালুচরে ‘সবুজ বিপ্লব’: প্রযুক্তিতে বদলে যাচ্ছে দুই কোটি মানুষের ভাগ্য

ইমক্যাবের নতুন সভাপতি শাহীন চৌধুরী, সম্পাদক মাছুম বিল্লাহ

ইমক্যাবের নতুন সভাপতি শাহীন চৌধুরী, সম্পাদক মাছুম বিল্লাহ

জলবায়ু পরিবর্তন: বাড়বে তাপপ্রবাহ-খরা-বন্যা ও খাদ্যসংকটের ঝুঁকি

জলবায়ু পরিবর্তন: বাড়বে তাপপ্রবাহ-খরা-বন্যা ও খাদ্যসংকটের ঝুঁকি

Load More
Facebook Youtube Linkedin X-twitter
  • Home
  • About
  • Advertisement
  • Bangla Converter
  • Career
  • Privacy Policy
  • Contact
  • Home
  • About
  • Advertisement
  • Bangla Converter
  • Career
  • Privacy Policy
  • Contact

Copyright © 2026 Agri Sangbad, All rights reserved | Development & Maintenance By: </> Hur Agency

No Result
View All Result
  • মূলপাতা
  • কৃষি সংবাদ
  • বাজার ও মূল্য
  • কৃষি পরামর্শ
  • জলবায়ু ও পরিবেশ
  • পশুপালন ও মৎস্য
  • নগরায়ন
  • পর্যটন
  • অন্যান্য
    • লিড নিউজ
    • ফোকাস
    • হাইলাইটস
    • বিশেষ প্রতিবেদন
    • মুক্ত আলোচনা
    • সাক্ষাৎকার
    • সমৃদ্ধি
    • প্রবাস
    • কৃষি প্রযুক্তি
    • প্রেস বিজ্ঞপ্তি
    • কৃষি উদ্যোক্তা

Press Release: agrisangbad@gmail.com