জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থা (ইউএন ট্যুরিজম)-এর মর্যাদাপূর্ণ অ্যাফিলিয়েট সদস্য ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অফ ট্যুরিজম ফিল্ম ফেস্টিভ্যালস (সিআইএফএফটি)তে আনুষ্ঠানিকভাবে মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম (ডাল্টন জহির)-কে সংস্থাটির এশিয়া অঞ্চলের রাষ্ট্রদূত (সিআইএফএফটি এম্বাসেডর ফর এশিয়া) হিসেবে নিযুক্ত করেছে।
গ্লোবাল পর্যটন ও মিডিয়া নেতৃত্বের শীর্ষস্থানে বাংলাদেশের নাম সংযুক্ত হওয়ায় এই নিয়োগটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের জন্য এক অনন্য অর্জনের মাইলফলক। এটি বাংলাদেশের জন্য একটি বড় অর্জন।
এই পদে ডাল্টন জহির এশিয়া জুড়ে সিআইএফএফটি (সিআইএফএফটি) এবং বিশ্বখ্যাত ‘ওয়ার্ল্ড ট্যুরিজম ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডস’-এর প্রতিনিধিত্ব করবেন, যা এশীয় অঞ্চলের পর্যটন বিকাশ ও অডিওভিউজুয়াল মিডিয়া প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এশিয়া অঞ্চলে দায়িত্ব ও কর্মপরিধি :
সিআইএফএফটি (সিআইএফএফটি)-এর এশিয়া রাষ্ট্রদূত হিসেবে ডাল্টন জহির নিম্নলিখিত দায়িত্বসমূহ পালন করবেন।
সিআইএফএফটি মিশন প্রচার: এশিয়া জুড়ে সিআইএফএফটি এবং ওয়ার্ল্ড ট্যুরিজম ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডস-এর আন্তর্জাতিক উদ্যোগসমূহ প্রচার করা।
কৌশলগত সংযোগ স্থাপন: বিভিন্ন দেশের পর্যটন বোর্ড, সরকারি প্রতিষ্ঠান, অডিওভিউজুয়াল প্রোডাকশন হাউজ, ক্রিয়েটিভ এজেন্সি এবং মিডিয়া অংশীদারদের সাথে কৌশলগত সম্পর্ক গড়ে তোলা।
নির্মাতা ও ব্র্যান্ডের সহায়তা: এশিয়ার পর্যটন কেন্দ্র, পণ্য ও সেবামূলক ভিডিও সিআইএফএফটি সার্কিটের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় নিবন্ধনে সহায়তা প্রদান করা।
এশীয় পর্যটন চলচ্চিত্রের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি: উন্নত মানের অডিওভিউজুয়াল ভিজ্যুয়াল কনটেন্টের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে এশিয়ার পর্যটন খাতের সুনাম বৃদ্ধি করা।
আঞ্চলিক প্রতিনিধি :
সিআইএফএফটি অস্ট্রিয়া সদর দপ্তর ও এশিয়ার অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করা। সিআইএফএফটি-এর ডিরেক্টর মিস্টার আলেকজান্ডার ভি. কামেল বলেন, ‘ডাল্টন জহিরের এই নিয়োগ এশিয়া অঞ্চলে সিআইএফএফটি-এর উপস্থিতি বৃদ্ধি এবং পর্যটন প্রচারণায় কাজ করা পেশাদার ও সংস্থাগুলোর সাথে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি প্রকাশ করে।’
ডাল্টন জহির-এর অবদান :
আতিথেয়তা (হসপিটালিটি), পর্যটন ও বহুজাতিক কর্পোরেট খাতে ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন পেশাদার লেখক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম (ডাল্টন জহির) বিশ্বমঞ্চে ‘বিউটিফুল বাংলাদেশ’ এবং দক্ষিণ এশীয় পর্যটনের অন্যতম শীর্ষ প্রচারক হিসেবে স্বীকৃত।
শিল্প অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা : পর্যটন, আতিথেয়তা, মিডিয়া এবং বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে ২৫ বছরেরও বেশি সময়ের নির্বাহী নেতৃত্ব।
লেখক ও গবেষক: সাহিত্য, কবিতা ও সমসাময়িক বিষয়াবলীর ওপর তার রচিত ও প্রকাশিত ৫টি বই রয়েছে।
উদ্যোগ ও মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম: তিনি বৈশ্বিক ট্রাভেল ও মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্যুরিস্টকি, ইউরোপকি, ট্যুরিস্টটাইমস এবং ওয়েলকাম বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও।
নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক ভূমিকা: তিনি ট্যুরিজম ডেভেলপারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টিডিএবি)-এর পরিচালক, ইন্টারন্যাশনাল ইকোট্যুরিজম সোসাইটি ফিলিপাইনস-এর সভাপতি এবং স্ক্যাল ইন্টারন্যাশনাল আর্জেন্টিনা-র গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। 
হসপিটালিটি ও কর্পোরেট অভিজ্ঞতা: তিনি ব্র্যাক সার্ভিসেস লিমিটেড (ব্র্যাক হোটেল গ্রুপ)-এর ‘গ্রুপ হেড অব সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং’ হিসেবে সফল নেতৃত্ব দিয়েছেন। এছাড়া তিনি রোজ ভিউ হোটেল, গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট অ্যান্ড গলফ, ওশান প্যারাসুট ও লেকশোর হোটেলের মতো শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানে নির্বাহী পদে কাজ করেছেন। বহুজাতিক প্রযুক্তি ও মিডিয়া ক্ষেত্রে মটোরোলা মোবাইল, অ্যাপল কম্পিউটার, ফিলিপস মোবাইল ও ফুজিফিল্মের মতো ব্র্যান্ডেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন।
আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক: তিনি স্ক্যাল ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রিদ, ফটোগ্রাফিক সোসাইটি অফ আমেরিকা, ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (টোয়াব), প্যাসিফিক এশিয়া ট্রাভেল অ্যাসোসিয়েশন (পিএটিএ) এবং ইউরোপীয় আমেরিকান চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সক্রিয় সদস্য।







