কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আমিন উর রশিদের সঙ্গে সচিবালয়ে তার কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। বৈঠকে দুই দেশের কৃষি পণ্য আমদানি-রপ্তানি, শিক্ষা-গবেষণা এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
কৃষিমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের কৃষিখাতকে রপ্তানিমুখী করতে আধুনিক চাষাবাদ ও উচ্চ ফলনশীল ফসলকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। পাকিস্তান হাইকমিশনার জানান, তার দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কৃষি ও ভেটেরিনারি বিষয়ে উচ্চশিক্ষায় বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের পূর্ণবৃত্তি দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া দুই দেশের গবেষণা ইনস্টিটিউটগুলোর মধ্যে বিনিময় কর্মসূচির প্রস্তাব দেন তিনি।
ব্লু ইকোনমি নিয়ে দেশের সম্ভাবনা তুলে ধরে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ বলেন, গভীর সমুদ্রের মৎস্য আহরণে টেকসই প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে সরকার। এ বিষয়ে পাকিস্তানের সহযোগিতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের আহ্বান জানান তিনি।
পাকিস্তানের হাইকমিশনার উন্নত জাতের গরুর সঙ্গে সংকরায়ণের মাধ্যমে বাংলাদেশের দেশি গরুর দুধ ও মাংসের উৎপাদন বাড়াতে কারিগরি সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
মন্ত্রী পাকিস্তানকে বাংলাদেশ থেকে আনারস আমদানির আহ্বান জানান। অন্যদিকে, হাইকমিশনার চাল, ভুট্টা, তুলা ও ফলের পাশাপাশি আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি রপ্তানির প্রস্তাব দেন। এছাড়া উচ্চ ফলনশীল ইক্ষু চাষ ও চিনি উৎপাদনে বাংলাদেশকে প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়ার কথা জানায় পাকিস্তান।
কৃষিমন্ত্রী পাকিস্তান হাইকমিশনারের এসব সহযোগিতার প্রস্তাবকে স্বাগত জানান এবং দুই দেশের কৃষিখাতে বিদ্যমান সাদৃশ্য কাজে লাগিয়ে একসঙ্গে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।








