নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) আসনের রাজনৈতিক দিগন্তে বর্তমানে আশার বাতিঘর হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন জননন্দিত নেতা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আব্দুল আজিজ।
আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম আসায় গুরুদাসপুর ও বড়াইগ্রামের মাটি ও মানুষের সাথে তাঁর যে আত্মার সম্পর্ক, তা আজ এক বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা বললে একবাক্যে সবার মুখে শোনা যায় ওনার সততা ও নিঃস্বার্থ জনসেবার কথা।
প্রার্থী মনোনীত হওয়ার পর দুই উপজেলার মানুষের মধ্যে এক অভূতপূর্ব জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা বলে জানাযায় তার সততা, অদম্য সাহস ও নিঃস্বার্থ জনসেবার গল্প।
তরুণ প্রজন্মের কাছে মো. আব্দুল আজিজ এক আধুনিক ও প্রগতিশীল নেতৃত্বের নাম। এলাকার তরুণ সমাজ আজ ওনার মাঝে এমন এক ব্যক্তিত্বকে খুঁজে পেয়েছে, যিনি তাদের কর্মসংস্থান ও ক্রীড়া-সংস্কৃতির উন্নয়নে আন্তরিক।
তরুণদের মতে, ‘ধানের শীষের কান্ডারি আব্দুল আজিজ ভাই ক্ষমতায় আসা মানেই গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রামে পরিবর্তনের ছোঁয়া লাগা, তিনি আমাদের স্বপ্নগুলো বোঝেন।’
অন্যদিকে, ছাত্রদের বক্তব্যে উঠে এসেছে এক শিক্ষিত ও সমৃদ্ধ জনপদ গড়ার প্রত্যাশা। সাধারণ ছাত্ররা মনে করে, শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং মেধাবীদের মূল্যায়ন করার জন্য ওনার মতো একজন দূরদর্শী নেতার বিকল্প নেই।
এলাকার সাধারণ মানুষের বক্তব্য হলো, ‘আমরা এমন একজনকে নেতৃত্বে চাই যাকে বিপদে-আপদে কাছে পাওয়া যায়, আর আব্দুল আজিজ ভাই সবসময় আমাদের সুখে-দুঃখে পাশে ছিলেন।’
তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা মনে করেন, তিনি কেবল একজন নেতা নন, বরং এই অঞ্চলের প্রতিটি বঞ্চিত মানুষের কণ্ঠস্বর। প্রতিকূল সময়েও দমে না গিয়ে তিনি যেভাবে তৃণমূলের মানুষকে আগলে রেখেছেন, তা তাঁকে এক অনন্য অভিভাবকের আসনে বসিয়েছে। আব্দুল আজিজ মানেই এখন অবহেলিত জনপদের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি এবং সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতিফলন।
বর্তমান সময়ে যখন মানুষ একজন যোগ্য ও সাহসী নেতৃত্বের সন্ধানে উন্মুখ, ঠিক তখনই আব্দুল আজিজ তাঁর পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি নিয়ে সবার সামনে দাঁড়িয়েছেন। রাস্তাঘাটের উন্নয়ন থেকে শুরু করে সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা—সবক্ষেত্রেই তাঁর স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি এলাকাবাসীকে এক নতুন ভোরের স্বপ্ন দেখাচ্ছে।
বিভিন্ন জনসভায় আব্দুল আজিজ বলেন, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আপনারা সবাই ভোটকেন্দ্রে যাবেন এবং ধানের শীষ প্রতীকে আপনাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। আমি কথা দিচ্ছি, বিজয়ী হলে সততার সাথে দায়িত্ব পালন করব।’
মাদক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নির্বাচিত হলে মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা করা করব। গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রামেকে মাদকমুক্ত করার পাশাপাশি ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংমুক্ত এলাকা হিসেবে গড়ে তুলব। মাদক ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে। তারা যত বড় প্রভাবশালীই হোক না কেন, ছাড় দেওয়া হবে না। তাই ধানের শীষে ভোট দিয়ে আপনাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমাকে সুযোগ দেবেন এটাই আমার প্রত্যাশা।’
আসন্ন ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে গুরুদাসপুর ও বড়াইগ্রামের আনাচে-কানাচে যে গণজোয়ার তৈরি হয়েছে, তার মূল কারণ হলো ওনাকে ঘিরে মানুষের অগাধ প্রত্যাশা। সাধারণ ভোটারদের বিশ্বাস, ধানের শীষের প্রার্থী আব্দুল আজিজ নির্বাচিত হলে অবহেলিত এই জনপদ একটি মডেল এলাকায় পরিণত হবে। এই ভালোবাসা আর জনসমর্থনই প্রমাণ করে যে, নাটোর-৪ আসনের ভাগ্য পরিবর্তনের কারিগর হিসেবে আব্দুল আজিজ আজ এক অপ্রতিরোধ্য নাম, যাঁর হাত ধরেই আসবে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন।
বড়াইগ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের আবেদ আলী বলেন, ‘আমরা অনেক নেতা দেখেছি, কিন্তু আব্দুল আজিজ ভাইয়ের মতো মাটির মানুষ দেখিনি। বিপদে পড়লে যাকে রাত-বিরাতেও নির্দ্বিধায় পাশে পাওয়া যায়, আমরা তাকেই আমাদের অভিভাবক হিসেবে সংসদে দেখতে চাই।’
মাঠ পর্যায়ের তৃণমূল নেতা-কর্মীরা মনে করেন, আব্দুল আজিজ কেবল একজন রাজনীতিবিদ নন, তিনি এই অঞ্চলের দুঃসময়ের কান্ডারি এবং প্রতিটি অধিকারবঞ্চিত মানুষের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর।








