‘বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার’র নাম পরিবর্তন করে এখন থেকে এই পুরস্কারটির নাম হবে ‘জাতীয় কৃষি পুরস্কার’। উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এই তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি জানান, বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার ট্রাস্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৬ এর নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। এছাড়া সভায় পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ অধ্যাদেশ-২০২৬ এর খসড়া, কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে অধ্যাদেশ-২০২৬, বাংলাদেশ গ্যাস সংশোধন অধ্যাদেশ-২০২৬ ও ডাক সেবা অধ্যাদেশ-২০২৬ এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন হয়েছে।
এদিকে, সভায় বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশন অধ্যাদেশ-২০২৬ এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি পাবলিক ট্রাস্ট হিসেবে আরবান সেফটি অ্যান্ড রিজেলিয়েন্স ইউএসআরআই বাংলাদেশ গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন হয়েছে।
কৃষিক্ষেত্রে বিশেষ অবদান যেমন- কৃষি গবেষণা ও সম্প্রসারণ, সমবায় অনুপ্রেরণা, প্রযুক্তি উদ্ভাবন, বাণিজ্যিক খামার, বনায়ন, পশুসম্পদ ও মৎস্য চাষসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য প্রদান করা হয়।
এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ নির্বাচিত ব্যক্তি ও সংস্থাগুলোকে স্বর্ণ, ব্রোঞ্জ ও রৌপ্যপদক বিতরণ করা হয়।
স্বর্ণপদক বিজয়ী প্রত্যেকে ২৫ গ্রাম ওজনের ১৮ ক্যারেট স্বর্ণপদকসহ ১ লাখ টাকা করে, রৌপ্যপদক বিজয়ী ২৫ গ্রাম খাঁটি রৌপ্যপদকসহ ৫০ হাজার টাকা করে এবং ব্রোঞ্জ বিজয়ী প্রত্যেকে একটি করে ব্রোঞ্জপদকসহ ২৫ হাজার টাকা করে পান।
স্বাধীনতার পর পরই ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সদ্য স্বাধীন দেশের কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে এই পুরস্কার প্রবর্তন করেন, যা ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর গঠিত সরকার বাতিল করে।








